x

এইমাত্র

  •  শিগগিরই দেশে পৌঁছাবে রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের পারমাণবিক রিঅ্যাক্টর
  •  সশস্ত্র বিদ্রোহীদের সঙ্গে সংঘর্ষে মারা গেলেন চাদের প্রেসিডেন্ট
  •  দুই জান্নাতকেই কন্ট্রাকচ্যুয়াল বিয়ে করেছিলেন মামুনুল
  •  লকডাউনে থাকছে যেসব বিধিনিষেধ
  •  জামায়াত ও হেফাজত একই সূত্রে গাঁথা: আ.লীগ

ফটক ভেঙে হল দখল করা শুরু করেছেন জাবি শিক্ষার্থীরা

প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১৪:৫৯

সাহস ডেস্ক

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) বেঁধে দেয়া সময় শেষ হওয়ার পরও আবাসিক হল খুলে না দেয়ায় ও উপাচার্য এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ফটক ভেঙে হল দখল করা শুরু করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের আল বেরুনী হল, নওয়াব ফয়জুন্নেছা হল, বেগম খালেদা জিয়া হল, শেখ হাসিনা হল, জাহানারা ইমাম হল, প্রীতিলতা হলসহ বিভিন্ন হলে প্রবেশ করেন শিক্ষার্থীরা।

শনিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে একটি মিছিল ফজিলাতুন্নেছা হলের সামনে পৌঁছায়। এরপর শিক্ষার্থীরা হলের ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ভবনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

এখনও বিক্ষোভ অব্যাহত রেখেছেন শিক্ষার্থীরা। সব হল দখলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা।

এর আগে শনিবার সকাল ১০টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারে জড়ো হতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর বেলা ১১টার দিকে তিনটি দাবি পেশ করেন তারা। দাবিগুলো হলো- শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার ও বিচার করা, গেরুয়ার সঙ্গে ক্যাম্পাসের সংযোগ স্থায়ীভাবে বিচ্ছিন্ন করে দেয়া এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও আবাসিক হল খুলে দেয়া।

জাবির ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর যারা হামলা চালিয়েছে তাদের চিহ্নিত করে রাষ্ট্রীয় আইনে বিচার হবে, সেই দাবির সঙ্গে সহমত পোষণ করছি। তারা আরেকটি দাবি জানিয়েছে, ওই রাস্তাটি আমাদের জন্য অনিরাপদ এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে অনিরাপদ করেছে। আমরা যখন শিক্ষার্থী ছিলাম তখনও আমরা এই দাবি জানিয়েছি। এই দাবির সঙ্গেও আমরা সহমত প্রকাশ করছি।

আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ব্যয়ভার বিশ্ববিদ্যালয় নিয়েছে জানিয়ে হল খোলার দাবির বিষয়ে প্রক্টর বলেন, বর্তমান মহামারি এবং রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ আছে। এটা একান্তই সরকারি সিদ্ধান্ত। সরকারি সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কোনো বিশ্ববিদ্যালয় আলাদা সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। সরকার যে মুহূর্তে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেবে, সঙ্গে সঙ্গেই আমরা হলগুলোও খুলে দেব।

তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা পড়াশুনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। তারা কোনোভাবেই যেন অরাজকতা তৈরি না করেন, সেজন্য তাদের অনুরোধ জানাচ্ছি। রাষ্ট্রীয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সিদ্ধান্তকে তারা যেন মেনে নেন। হল খুলে দেওয়া নিয়ে নিয়মিতই আলোচনা হচ্ছে। গত পরশুদিনও (বৃহস্পতিবার) উপাচার্য পরিষদে এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। সরকার সিদ্ধান্ত জানানোর পর দ্রুততম সময়ে তা বাস্তবায়ন করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত