x

এইমাত্র

  •  ওমানে বাংলাদেশিদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা
  •  রাজস্ব আদায়ের লক্ষমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হতে পারে রাজস্ব বোর্ড
  •  ঢাকায় এসে পৌঁছেছে মেট্রোরেল কোচের প্রথম চালান
  •  মহারাষ্ট্রের হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহে ত্রুটি, ২২ রোগীর মৃত্যু
  •  ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ২,১৩০ ও সর্বনিম্ন ৭০ টাকা নির্ধারণ

উইঘুর মুসলমানদের সঙ্গে চীন যা করছে তা গণহত্যা: কানাডা

প্রকাশ : ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৫৬

সাহস ডেস্ক

জিনজিয়াং প্রদেশে জাতিগত সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলমানদের সঙ্গে চীন যে আচরণ করছে তা গণহত্যা। কানাডার পার্লামেন্টে গতকাল সোমবার (২২ ফেব্রুয়ারি) একথা বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।

রয়টার্সের এ প্রতিবেদনে বলা হয়, পার্লামেন্টের এই প্রস্তাব কানাডার লিবারেল প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। কানাডার হাউস অব কমন্সে বিরোধী কনজারভেটিভ পার্টির আনা এই নন-বাইন্ডিং মোশনটির পক্ষে ভোট পড়েছে ২৬৬টি। এর বিপক্ষে কোনো ভোট পড়েনি।

প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা ভোট দেওয়া থেকে বিরত ছিলেন। তবে ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টির পেছনের সারির নেতারা এর পক্ষে ভোট দিয়েছেন।

বিভিন্ন তথ্য-প্রমাণ ও উইঘুর জনগণের ওপর নির্যাতনের সংবাদ প্রতিবেদন তুলে ধরে কনজারভেটিভ পার্টির আইনপ্রণেতা মাইকেল চং বলেছেন, আমরা এটি আর অবজ্ঞা করতে পারি না। আমাদের অবশ্যই বলতে হবে এটি একটি গণহত্যা।

ভোটের আগে এক সাক্ষাৎকারে চং বলেন, পশ্চিমের দেশগুলো চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। তারা মনে করে জিনজিয়াংয়ে কোনো গণহত্যা চলছে না।

তার মন্ত্রিসভার মাত্র একজন সদস্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্ক গার্নুয়েকে ভোটের সময় পার্লামেন্টে উপস্থিত হতে দেখা গেছে। ভোটের আগে বিরোধীদলীয় নেতা ইরিন ও'টুল বলেছেন, এ পদক্ষেপ হলো একটি বার্তা দেওয়া যে, আমরা মানবাধিকার ও মানুষের মর্যাদার পক্ষে দাঁড়াব– এমনকি কিছু অর্থনৈতিক সুযোগ ত্যাগ করে হলেও।

তিনি সম্প্রতি উইঘুরদের নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর বিবিসি নিউজকে চীনে নিষিদ্ধ করার কথা উল্লেখ করেন। তবে কানাডায় চীনের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, পার্লামেন্টের প্রস্তাব চীনের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল। কানাডার গণমাধ্যমকে তিনি বলেন, আমরা এটি প্রত্যাখ্যান করছি। কারণ এটি সত্যের বিরুদ্ধে।

প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো ‘গণহত্যা’ শব্দটি ব্যবহার করতে নারাজ। তিনি মনে করেন পশ্চিমের মিত্র দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে চীনের মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বড় পরিসরে কাজ করাটাই ভালো হবে। গত শুক্রবার জি ৭ এর নেতাদের সঙ্গে আলোচনায় ট্রুডো ‘পশ্চিমের গণতান্ত্রিক দেশগুলোকে সঙ্গে নিয়ে জিনজিয়াংয়ে চলমান পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা’র পক্ষে মত দেন।

সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আজ কানাডার স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় জো বাইডেনের সঙ্গে ট্রুডোর ভার্চুয়াল দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে। সেখানে চীনের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ও আলোচনা হতে পারে। ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতা ছাড়ার আগে উইঘুর মুসলিমদের ওপর চীনের নির্যাতন সম্পর্কে বলেছিলেন, সেখানে ‘গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ’ সংগঠিত হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত