x

এইমাত্র

  •  করোনায় রেকর্ড ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
  •  করোনায় সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৮৮ হাজার ২৪৪ জন
  •  করোনায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৬৫ লাখের অধিক, সুস্থ হয়েছেন ৩১ লাখেরও বেশী
  •  বাংলামোটরে বাসচাপায় প্রাণ গেল দুজনের
  •  করোনাভাইরাসঃ বাংলাদেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ জনের

দেশে কোভিড ১৯-এর এম্পলিকন ভিত্তিক জিনোম সিকোয়েন্সিং

প্রকাশ : ১৬ মে ২০২০, ২২:০৩

সাহস ডেস্ক

যৌথভাবে নভেল করোনাভাইরাস এর জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করেছে বাংলাদেশের ডিএনএ সল্যুশন লিঃ, বিসিএসআইআরের ডিআরআইসিএম এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল।

নভেল করোনাভাইরাসে মহামারী গোটা বিশ্বকে স্থবির করে ফেলেছে। বিশ্বব্যাপী প্রায় তিন লাখেরও বেশি মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন এবং বাংলাদেশেও এই পর্যন্ত ৩১৪ জন মানুষ মৃত্যুবরণ করেছেন। কিন্তু একটা বিষয় লক্ষণীয় যে, মৃত্যুহারের ব্যাপ্তি কিছু দেশে অনেক বেশি এবং কিছু কিছু দেশে কম পরিলক্ষিত হয়। আবার আক্রান্তের একটি বিরাট অংশ মৃদু এবং মাঝারি ধরণের তীব্রতা নিয়ে সুস্থতা লাভ করে থাকে। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ মনে করেন ভাইরাসটির জীনগত বৈশিষ্টের তারতম্যের কারণেই এমনটি হয়ে থাকে। এছাড়া ভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরি করার জন্য এর জীনগত বৈশিষ্ট উম্মাচোন করা অত্যন্ত জরুরী। এই বিষয়টি সামনে রেখে, দুটি সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অধীন বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের ডিআরআইসিএম, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল এবং একটি বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ডিএনএ সল্যুউশন লিমিটেড যৌথ উদ্যোগে প্রায় দেড়শত আক্রান্ত রোগীর নমুনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন। ইতিমধ্যে ডিএনএ সল্যুশন লিঃ Amplicon based Next Generation Sequencing এর মাধ্যমে পাঁচটি ভাইরাসের পুরো জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন করে আন্তর্জাতিক জীন ব্যাংকের ডাটা বেইজ GISAID এ জমা প্রদান করেছেন। অবশিষ্ট নমুনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রক্রিয়াধীন রয়েছে যা আনুমানিক সপ্তাহ খানিক সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করে আন্তর্জাতিক জীন ব্যাংকে জমা দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, Amplicon based NGS এর মাধ্যমে করোনাভাইরাসের জিনগত রহস্য উন্মোচন বাংলাদেশে এটাই প্রথম।

প্রদত্ত উপাত্ত থেকে বাংলাদেশের স্থান ভিত্তিক আক্রান্ত ব্যক্তির নমুনা অনুযায়ী জিনের বৈশিষ্ট, রোগের গতি প্রকৃতি সম্পর্কে সম্যক ধারণা এবং প্রতিষেধক উৎপাদনে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে মন্তব্য করেছেন ডিএনএ সল্যুশন লিঃ এর সমন্বয়ক বিজ্ঞানী ড. ফজলে আলম রাব্বি, ডিআরআইসিএম-এর পরিচালক ডঃ মালা খান, কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালের সমন্বয়ক ড হাসানুল হায়দার, পরিচালক (ডিআইজি)।

এছাড়া বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির দুইজন অধ্যাপক ড. কাজী নাদিম হাসান, ডঃ আব্দুল খালেক এবং নিপ্রো জেএমআই ফার্মা এর সিইও মোঃ মিজানুর রহমান এই গবেষণায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী স্হপতি ইয়াফেস ওসমানের উৎসাহ এই গবেষণায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

ডিএনএ সল্যুশন লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জাবেদ ইকবাল পাঠান খবরটি নিশ্চিত করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকল বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জ্ঞাপন করেছে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত