x

এইমাত্র

  •  লন্ড‌নে নিজ বাসা থেকে অর্থমন্ত্রীর জামাতার মরদেহ উদ্ধার
  •  নুরের বিরুদ্ধে তথ্য-প্রযুক্তি আইনে শাহবাগ থানায় মামলা
  •  হাসপাতালে ভর্তি করোনা রোগীরা দ্রুত মারা যাচ্ছেন: আইইডিসিআর
  •  জ্বর আসেনি, ভালো আছেন খালেদা জিয়া: চিকিৎসক
  •  লকডাউনের মেয়াদ আরও ৭ দিন বাড়তে পারে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে নকশী কাঁথায় স্বাধীনতার ইতিহাস

প্রকাশ : ২৩ মার্চ ২০২১, ২০:৩৯

মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন উপলক্ষে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে ১০ দিনব্যাপী (১৭-২৬ মার্চ) অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে ‘নকশী কাঁথায় স্বাধীনতার ইতিহাস’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ মার্চ) সকাল থেকে দিনব্যাপী জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বঙ্গবন্ধু মঞ্চের সামনে বটতলায় উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

এই অনুষ্ঠানে ১২টি নারী সমিতি ও সংগঠনের ১৪টি দলের প্রায় ৭০জন সুই-সুতোর শিল্পী অংশ নেন। শিল্পীরা তাদের নিপুণ সেলাইয়ের দক্ষতায় কাঁথার কাপড়ের উপর ফুটিয়ে তোলেন মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বিভিন্ন গুরত্বপূর্ণ অংশ, বঙ্গবন্ধুর জীবন সংগ্রামের বিভিন্ন অংশসহ ৭ই মার্চের ভাষণ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বীরশ্রেষ্ঠসহ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধে পাক হানাদার বাহিনীকে পরাজিত করার দৃশ্য। সুই-সুতোর কাজে বাদ যায়নি গ্রাম বাংলাও। শিল্পীদের কাজ দেখে মুগ্ধ সকলে।

আয়োজনে সহায়তাকারী জেলা মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপপরিচালক সাহিদা আখতার বলেন, আয়োজনটি ব্যতিক্রম। নকশী কাঁথার কাজ সময় সাপেক্ষ। তবে সুযোগ পেলে আমাদের মা-মেয়েরা কাপড়েই যাদু ফুটিয়ে তুলতে পারেন। নকশী কাঁথা এখন স্বীকৃত ও বিখ্যাত শিল্প। জগৎজোড়া এর খ্যাতি ও চাহিদা। সবদিকে কদরের কারণে জেলায় এর শিল্পী বাড়ছে। বাড়ছে দেশ বিদেশে রপ্তানী।

দল নিয়ে অংশগ্রহণকারী উদ্যেক্তা সমতা নারী উন্নয়ন সমিতির পরিচালক আকসানা খাতুন জানান, শিল্পীদের অংশগ্রহণে ক্লান্তিহীন উৎসাহের কথা। তিনি এমন আয়োজনের জন্য আয়োজকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নকশী কাঁথা নারীদের স্বাবলম্বি হতে সাহায্য করছে। দুটি বাড়তি আয়ের পথ দেখাচ্ছে।

বিকেলে জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক তাজকির-উজ-জামানসহ উর্ধতন কর্মকর্তাদের নিয়ে মা-ঝি’দের দলবেঁধে সেলাইলের কাজ ঘুরে দেখেন জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ। এ সময় তিনি সুই-সুতোর কারিগরদের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, নকশী কাঁথা চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত ঐতিহ্য। যুগ যুগ ধরে অবসরে আমাদের মা-বোনেরা কাঁথা সেলাই করেন। সেই কাঁথায় ফুটে ওঠে বিভিন্ন চিত্রসহ নানান গাঁথা। এবার তারা ভালবাসা ও আবেগ দিয়ে গেথেঁছেন মহান স্বাধীনতা সংগ্রাম।

তিনি আরো বলেন, আমরা চাই এমন আয়োজনের মাধ্যমে সকল নারীর নিকট স্বাধীনতার ইতিহাস পৌঁছে যাক। এবারের আয়োজনের সকল কাঁথা সংগ্রহ করে প্রর্দশণ করা হবে। অংশগ্রহণকারীদের পুরস্কৃত করা হবে। যাদের সম্ভাবনা রয়েছে, তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত