x

এইমাত্র

  •  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক করলেন হেফাজতের শীর্ষ নেতারা
  •  মামুনুল হকের রিসোর্টকাণ্ড: চাকরি হারালেন সোনারগাঁওয়ের ওসি
  •  সরকার কৃষকদের সর্বপ্রকার সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
  •  ভারতে খোলা বাজারে পাওয়া যাবে করোনা ভ্যাকসিন
  •  মোদি আসার বিষয়ে আমরা কোনো কর্মসূচি দিই নাই : বাবুনগরী

জলাভূমি বাঁচলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে: নদীপুত্র কবির বিন আনোয়ার

প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ২৩:৫৬

বিশ্ব জলাভূমি দিবসে ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের আলোচনা সভা | ছবি: সাকিল আহমদ (অরণ্য)

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ও ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান নদীপুত্র কবির বিন আনোয়ার বলেছেন, জলাভূমি বাঁচলে জীববৈচিত্র্য রক্ষা পাবে। জীববৈচিত্র্যসহ খাদ্যনিরাপত্তার জন্য এ জলাভূমির ভূমিকা অনস্বীকার্য। বিশ্ব জলাভূমি দিবস উপলক্ষে পরিবেশ বিষয়ক বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

০২ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের ধানমন্ডি অফিসে রাত ৮টায় এ আলোচনা সভায় তিনি আরো বলেন, পৃথিবীব্যাপী ২৫৩,৬০৩,৫১১ হেক্টার ভূভাগ জলাভূমির অন্তর্গত। হাজারো প্রজাতির প্রাণী ও উদ্ভিদ এসব জলাভূমির ওপর নির্ভরশীল। আমাদের দেশের মোট আয়তনের প্রায় ৫০ ভাগ জলাভূমি। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য, কৃষি, মৎস্য, পর্যটনসহ নানা ক্ষেত্রে এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো জলাভূমি। 

কবির বিন আনোয়ার বলেন, বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮-ক-এর অনুচ্ছেদ এ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু সম্পদের অতিরিক্ত আহরণ, পরিবেশদূষণ, জনসংখ্যার চাপসহ নানা কারণে এ দেশের জলাভূমিগুলোর প্রায় প্রতিটিই কমবেশি বিপদের সম্মুখীন। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণসহ হাওরাঞ্চলের উন্নয়নে সরকারের ২০১২ থেকে ২০৩২ সাল পর্যন্ত ২০ বছর মেয়াদি মাস্টারপ্ল্যান রয়েছে এবং সেই মোতাবেক কাজও চলছে। অন্যান্য জলাভূমি সংরক্ষণের জন্যও পরিকল্পনা রয়েছে শেখ হাসিনার সরকারের।

জলাভূমি দিবসের আলোচনায় অংশ নেন, ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের মুখ্য গবেষক আনিসুজ্জামান খান, সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল এন্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস এর প্রধান নির্বাহী মালিক ফিদা এ খান ও সাহস২৪.কম এর বার্তা প্রধান সাংবাদিক সাকিল আহমদ (অরণ্য)।

আলোচনায় অন্যান্য বক্তারা টেকসই জলাভূমি ব্যবস্থাপনার উপর জোর দিয়ে বলেন, আয়তনে ছোট হলে বাংলাদেশের রয়েছে অত্যন্ত সমৃদ্ধ জীববৈচিত্র্য। শুধু জীববৈচিত্র্যই নয়, কৃষি, মৎস্য ও পর্যটনের জন্য টেকসই জলাভূমি ব্যবস্থাপনার কোনো বিকল্প নেই।

আলোচনা সভায় অন্যান্যর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সিনিয়র সহকারী সচিব এস এম সাদিক তানভীর, ভিজ্যুয়াল বিশেষজ্ঞ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম প্রিন্স, জলবিজ্ঞানী শুভ্রা কর, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক হুমায়রা মাহমুদ, চিকিৎসক শাহেদ ইমরান, পাখি পর্যবেক্ষক আবু তাহের, ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের সদস্য রনি হাসান, ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর তোফায়েল আহমেদ প্রমুখ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত