x

এইমাত্র

  •  করোনায় আরও ২৯ জনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩২৮৮
  •  ভ্রমণ কড়াকড়ি শিথিল হওয়ার পর ট্রেন এবং বিমানের টিকিট কেনার হিড়িক লেগেছে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে
  •  মহামারি করোনাভাইরাসে বিশ্বব্যাপী মৃত্যু ৫ লাখ ৩০ হাজার, আক্রান্ত ১ কোটি ১২ লাখেরও বেশি
  •  পুলিশে করোনায় আক্রান্ত ১১৪৩১ জন, মৃত্যু ৪৪
  •  গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রকে ডেকেছে ওষুধ প্রশাসন

করোনা পরবর্তী সময়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুবর্ণ সুযোগ

প্রকাশ : ০৪ জুন ২০২০, ০২:২৮

ডাক্তার মোস্তাক আমাম্মেদ শান্ত

বিশ্বজুড়ে লকডাউনের কারণে বাইরের দেশে লেখাপড়ার জন্য আবেদনকারী ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা হ্রাস পেয়েছে। তবে কম প্রতিযোগিতার কারণে বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আবেদন করার জন্য এটিই সেরা সময় হতে পারে। এছাড়া এখন স্কলারশীপের সুযোগ তো রয়েছেই।

নভেল করোনাভাইরাস মোকাবেলার পর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের গৃহীত পদক্ষেপ দেখে স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ফার্ম “গ্লোবাল প্রসেস লিমিটেড” এর সিইও ডাক্তার মোস্তাক আমাম্মেদ শান্ত বলেন, বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা করোনা পরিস্থিতির কারনে বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে এডমিশনের বিষয়টি ভয় পাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবতা পুরোপুরি আলাদা। ভয় পাওয়ার কোনো কারণ নেই। প্রতিটা দেশ পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিয়েই বিকল্প ব্যবস্থায় বিদেশি স্টুডেন্ট এডমিশন করাচ্ছে। এতে করে এই সময় প্রকৃত শিক্ষার্থীরা সহজেই বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারবে এবং পচ্ছন্দের সাবজেক্ট বেছে নিতে পারেন। 

প্রতি বছর বিশ্বের বিভিন্ন স্কলারশীপে প্রচুর পরিমান আবেদন করে তাই প্রতিযোগীতাও অনেক বেশি হয়। কিন্তু এ বছর আবেদনের পরিমান কম হওয়ায় বাংলাদেশী শিক্ষার্থীদের জন্য এটা অনেক বড় সুযোগ। এছাড়া করোনার কারনে IELTS বা TOEFL ব্যতীত বিদেশে উচ্চ শিক্ষায় এডমিশন নেয়ার সুযোগ দিচ্ছে বিশ্বের অনেক দেশ।

বাহিরের দেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের আবেদনের শেষ তারিখ ইতিমধ্যে শেষ বা শেষের দিকে। যেমন- বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে, ডেনমার্ক, জাপান ইত্যাদি।

কিন্তু কিছু দেশের বিশ্ববিদ্যালয়ের সেশন সারা বছরে তিনবার করে থাকে যেমন, চীন মালয়েশিয়া, রাশিয়া, ভিয়েতনাম, ইন্ডিয়া, কিরগিজস্তান, কাজাগিস্থান ও কানাডা, পোল্যান্ড এস্তোনিয়া, সার্বিয়া ইত্যাদি। এগুলোতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বড় সুযোগ। এসব দেশে সেশন মাত্র শুরু হয়েছে এপ্রিলের থেকে চলবে জুন-জুলাই-আগস্ট পর্যন্ত।

এছাড়া এখানের অনেক দেশ করোনা মোকাবেলায় সফল। যেমন- চীনের সঙ্গে দীর্ঘ স্থল সীমান্ত আর নয় কোটি ৭০ লাখ জনসংখ্যার দেশ ভিয়েতনাম। কিন্তু সেখানে কোভিড নাইনটিনে মৃতের সংখ্যা শূণ্য। এমনকি উৎপত্তিস্থল চীনই এখন করোনা নিয়ন্ত্রণের রোল মডেল।

করোনার কারণে যেহেতু IELTS দেয়া সম্ভব হয়নি তাই এসব দেশের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় গুলো WithOut IELTS এডমিশন দিচ্ছে। এসব দেশে স্পেশাল এডমিশন দিচ্ছে। কিছু সময়ে এই এডমিশন দিয়ে থাকে শিক্ষার্থীর বিশেষ অবস্থা দেখে।

স্টুডেন্ট কি কি উপায়ে এডমিশন নিতে পারে ?

অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটেই সরাসরি আবেদন করা যায় ৷ তবে অনেক দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ওয়েবসাইট নিজস্ব ভাষায় হওয়ায় নিজে নিজে আবেদন করা কষ্টসাধ্য ৷ তাই বিশ্বস্ত স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ফার্ম বা এজেন্সির সাহায্য নিতে পারেন ৷ এছাড়া আমাদের মত বেশ কিছু স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ফার্ম সরাসরি ইউনিভার্সিটি গুলোর সরাসরি বাংলাদেশী প্রতিনিধি ৷ তাই আমাদের মাধ্যে সরাসরি এডমিশন নেয়া যায় ৷ তবে কনসালটেন্সি ফার্ম নির্বাচনে সচেতন থাকতে হবে সবাইকে ৷

Without IELTS বা এডমিশনের তথ্য কোথায় পাবেন ?

স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ফার্ম থেকে যারা সরাসরি ইউনিভার্সিটি গুলোর সরাসরি বাংলাদেশী প্রতিনিধি বা ইউনিভার্সিটির ওয়েবসাইটে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক ডেস্কে ইমেইল করেও সরাসরি জানতে পারবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশাল মিডিয়া প্লাটফর্মে যেমন- লিংকড-ইন, ফেসবুক, ইউটিউব ইত্যাদি প্লাটফর্মে তথ্য পেতে পারেন। 

এডমিশন হলেই কি স্কলারশিপ পাওয়া যাবে ? 

প্রথমত, স্কলারশিপ পাওয়া নির্ভর করে অনেক গুলো বিষয়ের উপরে। যেমনঃ কোন কোন ভার্সিটি স্কলারশীপ অফার করে ৷ এসএসসি এইচএসসি রেজাল্ট, একাডেমিক রেজাল্ট, ইংরেজি দক্ষতা,
এ্ক্সট্রা কারিকুলাম এক্টিভিটিস ইত্যাদির উপর। তবে স্কলারশিপ পেতে হলে অবশ্যই যোগ্য হতে হবে ৷ বেশির ভাগ ক্ষেত্রে আমরা স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ফার্ম গুলোই এডমিশনের সময়ই স্কলারশিপ সহ এডমিশনে হেল্প করে থাকি ৷

ভিসা কি হবে ? 

আগের থেকে এখন সহজে ভিসা হওয়ার সম্ভাবনা একটু বেশি।

কেন ?

এপ্লিকেশনের সংখ্যা অনেক কমেছে করোনার কারণে। বিশ্ববিদ্যালয় গুলো যেহেতু এডমিশন দিচ্ছে তাই ভিসা ও হওয়ার সম্ভাবনা 100% আছে। স্কলারশিপের ফুল ফ্রী শিক্ষার্থীদের ভিসা খুব কমই রিফিউজ হয়। যেহেতু করোনাভাইরাসের কারণে স্কলারশিপ পাওয়া অনেকটা সহজ বিষয় হবে।

কিন্তু শিক্ষার্থীদের মনে রাখতে হবে যেন VO এর সাথে ভিসা ইন্টারভিউর সময় প্রত্যয় ঠিক থাকে এবং শুধু পড়াশোনা করার জন্য যাচ্ছেন ও সেই যোগ্যতা আছে তার প্রমাণ দিতে হবে।

এছাড়া বিদেশি স্টুডেন্টের টাকা ও যে কোন দেশের অর্থনীতির জন্য অনেক দরকার তাই ইমিগ্রেশন সহজ হবে। (আগে দেখেছিলাম যখন কোন দেশের অর্থনীতি খারাপ থাকে তখন স্টুডেন্ট ভিসা একটু সহজে দিয়ে থাকে)।

এই দুর্যোগকালীন সময়ে স্টুডেন্ট কনসালটেন্সি ফার্মের অফিস কি এখন খোলা থাকে ? স্টুডেন্ট কি ভাবে ফাইল প্রসেস করবে ?

আমরা আমাদের সম্মানিত গ্রাহকদের এই দুর্যোগকালীন সময়ে স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অনলাইনে ফ্রী কনসালটেশান সেবা প্রদান করছি। ফ্রী কনসালটেশনের জন্য অনলাইন এপয়েন্টমেন্ট বুকিং করতে পারবে। এছাড়া অনলাইনেই এডমিশন নোটিশ, অফার লেটার, ভিসা লেটার সহ সকল সার্ভিস প্রদান করছি। স্টুডেন্টদের পাসপোর্ট ও কাগজপত্র অনলাইনেই আমাদের পাঠাতে পারবে। এছাড়া স্টুডেন্টরা বিদেশে একুমোডেসন, টিউশিন ফি সব নিজে হাতে ভার্সিটিতে দিতে পারবেন। ভিসা হওয়ার আগে আমরা কোন চার্জ নেই না। ভিসার আগে এক টাকাও লাগবে না, নো উইন নো ফি। অনেক এজেন্সী অফিস সীমিত সময় অফিস খোলা রেখে পরিচালনা করছে।

পরিশেষে একটি বিষয়, শুধু ভিসা পাওয়ার জন্য সুযোগটিকে মোটেও মিস ইউজ করা যাবে না। উপরোক্ত লেখাটি শুধুই প্রকৃত শিক্ষার্থীদের জন্য, যেন করোনাভাইরাস কারো বিদেশে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্নকে প্রতিহত করতে না পারে। সকলের সুস্থতা কামনা করছি। ঘরে থাকুন, সুস্থ থাকুন। নিরাপদে থাকুন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। ধন্যবাদ।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত