x

এইমাত্র

  •  করোনায় রেকর্ড ৩৪ বিলিয়ন ডলারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
  •  করোনায় সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৮৮ হাজার ২৪৪ জন
  •  করোনায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৬৫ লাখের অধিক, সুস্থ হয়েছেন ৩১ লাখেরও বেশী
  •  বাংলামোটরে বাসচাপায় প্রাণ গেল দুজনের
  •  করোনাভাইরাসঃ বাংলাদেশে আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৪২৩ জনের

ফিলিপাইনের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চায় ব্যবসায়ীরা

প্রকাশ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:০০

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই)র সভাপতি ওসামা তাসীর বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য উন্নয়নে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন,মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর,সিঙ্গেল কান্ট্রি ফেয়ার আয়োজন এবং বাণিজ্য প্রতিনিধিদল আদান-প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সোমবার ( ২ আগস্ট) ডিসিসিআই সভাকক্ষে বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মধ্যেকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ-ফিলিপাইন বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

বাংলাদেশ ফিলিপাইন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (বিপিসিসিআই)র সহযোগিতায় ডিসিসিআই সেমিনারের আয়োজন করে।

ফিলিপাইনের ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহকারী পরিচালক এগনেস পারপেচুয়া লেগাসপির নেতৃত্বে কৃষি ও শাক-সবজি, চা, পানীয়,ঔষধ, প্রশাধনী এবং প্যাকেজিং মেশিনারীজ খাতের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সেমিনার ও বিজনেস ম্যাচ-মেকিং-এ যোগদান করেন।

সেমিনারে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফিলিপাইনের চার্জ দি অ্যাফেয়ার্স লি মার্কো সি ভিদাল, ফিলিপাইনের কমার্শিয়াল এটাচি জেরিমায়া সি রাইয়েদ, বিপিসিসিআই সভাপতি ইঞ্জিঃ আকবর হাকিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারের ওসামা তাসীর বলেন, বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময় এবং ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দুদেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ৬৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তিনি বাংলাদেশের কৃষি ও খাদ্য উৎপাদন, প্যাকেজিং, তথ্য-প্রযুক্তি, ইলেকট্রনিক্স এবং পর্যটন খাতের উন্নয়নে ফিলিপাইনের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি ব্যবহার জন্য স্থানীয় উদ্যোক্তাদের প্রতি আহ্বান জানান পাশাপাশি তৈরি পোষাক, ঔষধ ও সিরামিক খাতের উন্নয়নে বাংলাদেশর দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর জন্য ফিলিপাইনের ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানান।


ফিলিপাইনের কমার্শিয়াল এটাচি জেরিমায়া সি রাইয়েদ বলেন, বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্য যুদ্ধ আমাদের মত দেশগুলোর জন্য একদিকে যেমন সম্ভাবনার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে অন্যদিকে ঝুঁকিও বেড়েছে। উদ্ধূত পরিস্থিতি মেকাবেলায় কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সুবিধা গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ও ফিলিপাইনের মানব সম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন বলে মত প্রকাশ করেন।

ফিলিপাইনের ডিপার্টমেন্ট অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সহকারী পরিচালক এগনেস পারপেচুয়া লেগাসপি দুদেশের বিদ্যমান বাণিজ্য আরো বৃদ্ধির উপর জোরারোপ করেন। তিনি বাংলাদেশি উদ্যোক্তাবৃন্দ ফিলিপাইন হতে ইলেকট্রনিক্স, হোম ডেকো ফার্নিচার, ফ্যাশন, জুয়েলারি, হালাল খাদ্য এবং অর্গানিক প্রশাধনী প্রভৃতি আমদানির প্রস্তাব করেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত