x

এইমাত্র

  •  এসএসসি-সমমানে পাসের হার ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ
  •  করোনায় সারা বিশ্বে মৃতের সংখ্যা ৩ লাখ ৭১ হাজার ২৩ জন
  •  করোনায় বিশ্বজুড়ে আক্রান্ত ৬১ লাখের অধিক, সুস্থ হয়েছেন ২৭ লাখেরও বেশী
  •  করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে না আসা পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা নয়
  •  করোনাভাইরাসঃ বাংলাদেশে রেকর্ড ৪০ জনের মৃত্যু, নতুন শনাক্ত ২৫৪৫

বাংলাদেশ-চায়না বাণিজ্য সম্প্রসারণ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত

প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০১৮, ১৫:৩৮

ওয়ার্ল্ড এনার্জি কাউন্সিল বাংলাদেশ চ্যাপ্টার আয়োজিত বাংলাদেশ-চায়না বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও চ্যালেঞ্জসমূহ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ওয়েস্টিন হোটেলে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান রিক হক শিকদার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। বক্তব্য রাখেন সংগঠনটির ম্যানেজিং ডাইরেক্টর রন হক শিকদার, সংগঠনটির ডাইরেক্টর জন হক শিকদার, বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, হাসান মাহমুদ প্রমুখ। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন চীনা রাষ্ট্রদূর ঝাং জু।

বাংলাদেশ রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা পূরণে চীনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য-বিনিয়োগ বাড়ানো প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

তিনি বলেন, দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে। তবে দেশটির সহযোগিতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। বাণিজ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করে বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূর ঝাং জু বলেন, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য বৃদ্ধির ক্ষেত্রে বেশকিছু বাধা রয়েছে। এসব বাধা দূর করা গেলে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগ আরও বাড়বে। এছাড়া বাংলাদেশী পণ্যেরও বড় বাজার হতে পারে চীন।

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বাস্তবমুখী পদক্ষেপে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। স্বল্প আয়ের দেশ থেকে বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হয়েছে। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৬০ বিলিয়ন ডলার। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে অন্যান্য দেশের সঙ্গে চীনের সহযোগিতা বড় প্রয়োজন।

চীনা রাষ্ট্রদূত ঝাং জু বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশী পুঁজি বিনিয়োগকারীদের আরও অনুকূল পরিবেশ ও সুযোগ দেয়ার চেষ্টা করছে। সরকার আশা করে, চীনা বিনিয়োগকারীরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াবেন। বাংলাদেশ একটি বড় বাজার। বাংলাদেশ আশা করে, চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো বাংলাদেশের এই বড় বাজারের সুপ্তশক্তি কাজে লাগাবেন। 

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে চীনের বিভিন্ন আকারের বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ছাড়াও, অনেক সরকারি মাঝারি ও বৃহৎ উদ্যোগ রয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের সহায়তায় বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন হচ্ছে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে। এসব কোম্পানির মাধ্যমে চীনা প্রযুক্তিও এদেশে এসেছে।

নসরুল হামিদ বিপু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ঘরে ঘরে বিদ্যুত। এজন্য আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি মানুষ যাতে বিদ্যুত সুবিধার আওতায় আসে সেজন্য কাজ করা হচ্ছে।

সাহস২৪.কম/রিয়াজ

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত