গণপরিবহনে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি, নেয়া হচ্ছে বর্ধিত ৬০ শতাংশ ভাড়া!

প্রকাশ : ৩১ মে ২০২১, ১৬:৫৯

সাহস ডেস্ক

করোনা প্রতিরোধে গণপরিবহনে ধারণক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী বহন এবং ৬০ শতাংশ বর্ধিত ভাড়া আদায়ে সরকারের নির্দেশনা থাকলেও তা মানা হচ্ছে না। 

৩১ মে (সোমবার) রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গণপরিবহনের এমন চিত্র দেখা গেছে। বাসগুলোতে হ্যান্ড স্যানিটাইজারেরও কোনো ব্যবস্থাও নেই।

গণপরিবহনে ভাড়া নিয়ে  চলছে নৈরাজ্য। ভাড়া ৬০ শতাংশ বাড়ানো হলেও যাত্রীদের কাছ থেকে আদায় করা হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ শতাংশ। ওদিকে অর্ধেক যাত্রী বহনের নির্দেশনা থাকলেও বাস বোঝাই করেই যাত্রী নেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে রাজধানীবাসী পরিবহন মালিক-শ্রমিকদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। এ নিয়ে যাত্রীদের মধ্যে দেখা গেছে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ।

কিছু কিছু পরিবহনে স্বাস্থ্যবিধি মেনে যাত্রীদের গন্তব্যে যেতে দেখা গেলেও অধিকাংশ বাসে গাদাগাদি করে যাত্রীদের চলাচল করতে দেখা গেছে। স্বাস্থ্যবিধি মানাতে বাস শ্রমিকদের মধ্যে দেখা যায়নি কোন তৎপরতা।  এদিকে যাত্রীদের অভিযোগ, বাসে অতিরিক্ত যাত্রী উঠানো হলেও সঙ্গে আদায় করা হয় অতিরিক্ত ভাড়াও।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালু হলেও বেশিরভাগ বাস চালক ও হেলপারদের স্বাস্থ্যবিধি মানতে দেখা যায়নি। অনেকের মাস্ক থুতনির নিচেই থেকে যাচ্ছে। আর হরেক রকম অজুহাতে বেশিরভাগ চালক ও কন্ডাক্টর মুখ ডাকছেন না মাস্ক দিয়ে। এছাড়াও বাসের কিছু কিছু যাত্রীদের মুখেও মাস্ক ছিল না। 

গণপরিবহনে কেনো নিয়ম না মেনে যাত্রী পরিবহন করা হচ্ছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিহঙ্গ পরিবহনের হেল্পার জানান, যারা একই পরিবারের তারাই কেবল দুই সিটে একসঙ্গে বসেছে। এছাড়া অন্য যাত্রীরা আলাদা আলাদা সিটে বসছে।

তবে যাত্রীদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তারা কেউই কারো পরিচিত নন বলে জানান। এসময় প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে ওই বাস হেল্পার বলেন, ভাই অফিস টাইম এখন। আমরা কি করবো? যাত্রীরা আমাদের ঠেলে বাসে উঠে যায়। তারা বাসে উঠে গেলে তো আমরা নামায়ে দিতে পারি না।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের আস্থা এখন শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের। আপনিও কি তাই মনে করেন?