গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও উঠেছে তার নাম

জবাই হওয়া থেকে বেঁচে যাওয়া বাছুরটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ষাঁড়!

প্রকাশ : ২৬ মে ২০২৪, ২০:১৩

Desk Report

জন্মের মাত্র ১০ দিন পরই একটি বাছুরকে জবাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে মিস্টি ও রবার্ট মুর নামের প্রাণীপ্রেমী দম্পতি বাছুরটিকে উদ্ধার করেন। পরবর্তীতে বাছুরটির লালন-পালনের দায়িত্ব নেন তাঁরা।

ঘটনাটি আমেরিকার ওরেগন অঙ্গরাজ্যের। রোমিও নামের বাছুরটি বর্তমানে মস্ত এক ষাঁড়। বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু জীবিত ষাঁড় হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও নাম উঠেছে রোমিওরয

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস টুইটারে রোমিওর একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। সেখানে লিখেছে, ‘রোমিওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করুন। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ষাঁড় রোমিও ছয় বছর বয়সী হোলস্টেইন জাতের ষাঁড়। যার উচ্চতা ১ দশমিক ৯৪ মিটার (৬ ফুট ৪ দশমিক ৫ ইঞ্চি)। এটি ওয়েলকাম হোম অ্যানিমেল অভয়ারণ্যে তার মালিক মিস্টি মোরের সঙ্গে থাকে।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মুর দম্পতি জানান, লম্বা এই ষাঁড়টিকে বাছুর থাকা অবস্থায় জবাই করতে চেয়েছিল খামারের মালিক। কারণ, ষাঁড় থেকে দুধ পাওয়া যায় না তাই জবাই করে মাংস বিক্রি করে দিলেই লাভ।

গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী, রোমিও আগের রেকর্ডধারী টমির তুলনায় তিন ইঞ্চি লম্বা।

রোমিওর মালিক মিস্টি মোর এই ষাঁড়কে অত্যন্ত ভদ্র স্বভাবের বলে দাবি করেছেন। এই এঁড়ে বাছুর যুক্তরাষ্ট্রে সাধারণত খাওয়ার মাংসের জন্য লালন-পালন করা করা হয়।

মুর দম্পতি একটি অভয়ারণ্য গড়ে তুলেছেন। সেখানে অবহেলিত প্রাণীদের যত্নে লালন-পালন করা হয়। রোমিওকে লালন-পালন খুব একটা সহজ নয় বলে জানান তাঁরা। কারণ, ষাঁড়টি অতিরিক্ত লম্বা হওয়ায় চিকিৎসা সেবা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি বেশির ভাগ হাসপাতালে পাওয়া যায় না।

মিস্টি বলেন, ‘রোমিওর মতো বাছুরগুলোকে অনেকে বোঝা হিসেবে বিবেচনা করে। তাই জবাই করে মাংস বিক্রি করে থাকে খামারিরা। তবে রোমিওর ভাগ্য ছিল ভালো। তাই ওকে বাঁচানো গেছে। রোমিও খুব আদুরে আর মিশুক প্রকৃতির।’

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত